"আমরা রাতের অন্ধকারে ড্রাইভ করছি। আমি আমার আঙ্গুলগুলোকে আমার স্তন জুড়ে, আমার পেট জুড়ে এবং তারপর আমার পোষাকের নীচে চালাতে লাগলাম। আমি অনুভব করতে লাগলাম আমার হৃদ্স্পন্দন কিভাবে আমার ত্বককে স্পন্দিত করছে। " যখন তোমরা সকলে তোমাদের বন্য 30 তম জন্মদিনের পার্টির পরের দিনে একটি ভাল যৌনসঙ্গম দরকার সে সম্পর
স্প্যানিশ গ্রীষ্ম--একটি আদিরসাত্মক ছোট গল্প
✍ Scribed by – ওলরিক
- Publisher
- Saga Egmont International
- Year
- 2019
- Tongue
- Bengali
- Category
- Fiction
No coin nor oath required. For personal study only.
✦ Synopsis
"আমি যখন সামান্য শান্ত হয়েছি, প্রায় পাঁচ মিনিট বা তার পরে, সে শোবার ঘরের দরজায় হাজির হল। তার চুল আলগা। গুলো চলে গেল। চশমা নেই। ঠোঁটে লাল লিপস্টিক। এবং তার লেসের জামায় প্রকাশ পাচ্ছিল যে এর নিচে আর কিছুই নেই এবং তার বাকি শরীরটিও আমার দেখা দৃঢ় পাছার সঙ্গে নিখুঁত মিলে যাচ্ছিল। একটি অদ্ভুত অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্য হিসাবে, সে তার স্তনবৃন্তের উপর কালো টেপ লাগিয়েছে - দুটি ক্রসের আকারে।" এই ছোট গল্পটি সুইডিশ ফিল্ম প্রযোজক এরিকা লাস্টের সঙ্গে সহযোগিতায় প্রকাশিত হয়। তাঁর উদ্দেশ্য হল শক্তিশালী গল্প এবং কামকাব্যের সংমিশ্রণে আবেগ, অন্তরঙ্গতা, কামনা এবং প্রেমের গল্পের মাধ্যমে মানব প্রকৃতি এবং বৈচিত্র্যকে চিত্রিত করা।
📜 SIMILAR VOLUMES
"আমি ঝট করে মাথা ঘোরাতেই দেখলাম মেয়েটি বসার ঘরের মাঝখানের জানলার পিছনে দাঁড়িয়ে আছে, তার নজর সটান আমার দিকে। সে তার পরেই বেরিয়ে এলো, ফ্লেমিঙ্গো আঁকা কিমোনো তখনও তার শরীরে রয়েছে। সে আমাকে বরফ ঠান্ডা এক গ্লাস জল হাতে ধরিয়ে দিলো। গ্লাসের জলে চুমুক দিয়েই আমি তার নগ্ন শরীর মনশ্চক্ষে দেখতে পেলাম।" হেনরী উ
"""আমার স্মৃতিতে তুমি এখনো উপস্থিত রয়েছো। আমার স্বপ্নে তুমি বাস্তব হয়ে ওঠো, তুমি আমার হয়ে দেখা দাও। তোমার ঠোঁট আবার আমাকে খুঁজে নেয়। আমি যতদূর মনে করতে পারি, তোমার জিভ ঠিক ততটাই খেলা করে বেড়ায়। তোমার আচরণ আবেদনময় এবং উত্সুক। তোমার হাসি কতটা প্রাণখোলা। তোমার হাত কত সন্ধানী। তোমার চুম্বন কত স্থির। তো
"পাঁচজন লোক পশুর লোম ঢাকা ট্রাউজার পরে লাফালাফি করছিল এবং কিম্ভূতকিমাকার পশুদের মুখোশ পরেছিল। কুকুরদের কামড়ানোর হাত থেকে আটকানোর জন্য যে মুখোশ পরানো হয়, এই মুখোশগুলোও কিছুটা সেরকম দেখতে। একজন আধামানুষের পক্ষেও কস্টিউম হিসেবে এটা দারুণ কাজে দিয়েছে। পরী হিসেবে এটাই আমার কল্পনা ছিল। যেটা সত্যি হয়েছে।
"তিনি তাঁর পা মাটিতে রেখে ইঞ্জিন বন্ধ করলেন, তারপর আচমকাই তাঁর হেলমেট খুলে নিয়ে কাঁধ অবধি নেমে আসা সাদাটে চুল ঝাঁকিয়ে ঠিক করে নিলেন, মনে হচ্ছিল আমি সম্মোহিত হয়ে গিয়েছি। আমার মেরুদন্ড দিয়ে একটা শীতল শিহরণ নেমে গেলো। নিজের চোখ উপরে তুলে দেখার ইচ্ছা প্রবল ছিল, কাজেই দ্বিধা না করে আমি সেটাই করলাম। আমার
"আমার এত কাঁপুনি হচ্ছিল যে নিজের পায়ে খাড়া হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা মুশকিল হচ্ছিল আমি নিশ্চিত যে তিনি যেভাবে আমাকে আঁকড়ে ধরে কোলে তুলে আমার অন্য স্তনবৃন্তটাও জিভ দিয়ে চাটছিলেন তাতে তিনিও বুঝতে পারছিলেন। সত্যি কথা বলতে কি আমার তো কাম তুঙ্গে উঠে গিয়েছিল। উত্তেজনার মুহুর্ত কাটার আগেই তিনি আমাকে ছেড়ে দিলেন,