""স্বপ্নগুলো 1960-এর দশকে বড় হয়ে উঠতে লাগলো, কিন্তু আমাদের বিশ্বাস হয়ে গিয়েছিল যে সবকিছুই ঘটা সম্ভব- এমনকি তোমার অধ্যাপকের সাথে তাঁর ডেস্কে যৌনসঙ্গম করাও সম্ভব, যখন বাকি ইউনিভার্সিটির সকলে ঘুণাক্ষরে কিছু না বুঝেই যাওয়া আসা করছে।" এ তো গেল বহু বছর আগের কথা, তবে এখনো, সেই প্যারিসের ফ্রীল্যান্সার সাংব
পরী আর আধামানুষ--একটি আদিরসাত্মক ছোট গল্প
✍ Scribed by – ওলরিক
- Publisher
- Saga Egmont International
- Year
- 2019
- Tongue
- Bengali
- Category
- Fiction
No coin nor oath required. For personal study only.
✦ Synopsis
"পাঁচজন লোক পশুর লোম ঢাকা ট্রাউজার পরে লাফালাফি করছিল এবং কিম্ভূতকিমাকার পশুদের মুখোশ পরেছিল। কুকুরদের কামড়ানোর হাত থেকে আটকানোর জন্য যে মুখোশ পরানো হয়, এই মুখোশগুলোও কিছুটা সেরকম দেখতে। একজন আধামানুষের পক্ষেও কস্টিউম হিসেবে এটা দারুণ কাজে দিয়েছে। পরী হিসেবে এটাই আমার কল্পনা ছিল। যেটা সত্যি হয়েছে। আমি তাদের দিকে তাকানোর পরে পাঁচজন আধা-মানুষ স্পষ্টতই সেটাকে নির্দেশ হিসাবে ধরে নিয়ে তাদের আচার-অনুষ্ঠান শুরু করে দিল। তাদের হালকা পদক্ষেপগুলো কীভাবে ভারী, আরো ভারী হয়ে উঠছিল তা শুনতে পাচ্ছিলাম।"" এই ছোট গল্পটি স্যুইডিশ চলচ্চিত্রনির্মাতা এরিকা লাস্টের সহযোগিতায় প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর উদ্দেশ্য হল আবেগ, অন্তরঙ্গতা, কাম ও ভালোবাসার মিশ্রণে লেখা শক্তিশালী গল্প ও আদিরসাত্মক গল্পের মাধ্যমে মানব চরিত্র এবং তার বৈচিত্র্যকে তুলে ধরা।"
📜 SIMILAR VOLUMES
"তিনি তাঁর পা মাটিতে রেখে ইঞ্জিন বন্ধ করলেন, তারপর আচমকাই তাঁর হেলমেট খুলে নিয়ে কাঁধ অবধি নেমে আসা সাদাটে চুল ঝাঁকিয়ে ঠিক করে নিলেন, মনে হচ্ছিল আমি সম্মোহিত হয়ে গিয়েছি। আমার মেরুদন্ড দিয়ে একটা শীতল শিহরণ নেমে গেলো। নিজের চোখ উপরে তুলে দেখার ইচ্ছা প্রবল ছিল, কাজেই দ্বিধা না করে আমি সেটাই করলাম। আমার
"আমি যখন সামান্য শান্ত হয়েছি, প্রায় পাঁচ মিনিট বা তার পরে, সে শোবার ঘরের দরজায় হাজির হল। তার চুল আলগা। গুলো চলে গেল। চশমা নেই। ঠোঁটে লাল লিপস্টিক। এবং তার লেসের জামায় প্রকাশ পাচ্ছিল যে এর নিচে আর কিছুই নেই এবং তার বাকি শরীরটিও আমার দেখা দৃঢ় পাছার সঙ্গে নিখুঁত মিলে যাচ্ছিল। একটি অদ্ভুত অতিরিক্ত বৈশ
"আমার এত কাঁপুনি হচ্ছিল যে নিজের পায়ে খাড়া হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা মুশকিল হচ্ছিল আমি নিশ্চিত যে তিনি যেভাবে আমাকে আঁকড়ে ধরে কোলে তুলে আমার অন্য স্তনবৃন্তটাও জিভ দিয়ে চাটছিলেন তাতে তিনিও বুঝতে পারছিলেন। সত্যি কথা বলতে কি আমার তো কাম তুঙ্গে উঠে গিয়েছিল। উত্তেজনার মুহুর্ত কাটার আগেই তিনি আমাকে ছেড়ে দিলেন,
"""আমার স্মৃতিতে তুমি এখনো উপস্থিত রয়েছো। আমার স্বপ্নে তুমি বাস্তব হয়ে ওঠো, তুমি আমার হয়ে দেখা দাও। তোমার ঠোঁট আবার আমাকে খুঁজে নেয়। আমি যতদূর মনে করতে পারি, তোমার জিভ ঠিক ততটাই খেলা করে বেড়ায়। তোমার আচরণ আবেদনময় এবং উত্সুক। তোমার হাসি কতটা প্রাণখোলা। তোমার হাত কত সন্ধানী। তোমার চুম্বন কত স্থির। তো
""আমার জিভ তার স্তনের বোঁটাগুলো ছুঁয়েছে কী ছোঁয়নি, সে এত ভারী নিশ্বাস ফেলতে লাগলো যেন তার এক্ষুণি অর্গ্যাজম হতে চলেছে। "পাথরটা কত বড়?" আমি জিজ্ঞাসা করলাম। সে হাঁপাতে হাঁপাতে বললো: "তা বলতে গেলে..." আমি আবার তার স্তনের বোঁটাটা মুখে ভরে নিলাম। এখন সে একটা ঝরা পাতার মত কাঁপছে, আমি সহজেই তার কাঁচুলিটা