ভূমিকাঃ এক দুপুরে ভাত খেতে বসেছি। আমার মেজো মেয়ে কী-একটা দুষ্টুমি করায় মা’র কাছে বকা খেয়েছে। মুখ অন্ধকার করে ভাতের থালা সামনে নিয়ে বসে আছে। অনেক সাধাসাধি করেও তাকে খাওয়ানো যাচ্ছে না। শেষ পর্যন্ত আমি বললাম, মা, তোমাকে আমি আমার ছেলেবেলার একটা গল্প বলব। গল্প গুনে তুমি যদি হেসে ফেলো তা হলে কিন
আমার আছে জল (Amar Ache Jol)
✍ Scribed by Humayun Ahmed
- Publisher
- অনিন্দ্য প্রকাশন
- Year
- 1993
- Tongue
- Bengali
- Weight
- 7 MB
- Category
- Fiction
No coin nor oath required. For personal study only.
✦ Synopsis
"আমার আছে জল"বইটির প্রথমের কিছু অংশ:
রেল স্টেশনের এত সুন্দর নাম আছে নাকি? “সােহাগী”। এটা আবার কেমন নাম? দিলু বললাে – আপা, কি সুন্দর নাম দেখেছ?
| নিশাত কিছু বললাে না। তার ঠাণ্ডা লেগেছে। সারারাত জানালার পাশে বসে ছিলাে। খােলা জানালায় খুব হাওয়া এসেছে। এখন মাখ। ভারভার। কিছুক্ষণের মধ্যেই হয়তাে নাক দিয়ে জল ঝরতে শুরু করবে। দিলু বললাে – আপা, স্টেশনের নামটা পড়ে দেখ না। প্লীজ।
পড়েছি। ভাল নাম। দিলুর মন খারাপ হয়ে গেলাে। সে আশা করেছিলো নিশাত আপাও তার মত অবাক হয়ে যাবে। চোখ কপালে তুলে বলবে – ও মা, কেমন নাম! কিন্তু সে আজকাল কিছুতেই অবাক হয় না। কথাবার্তা বলে স্কুলের জিওগ্রাফী আপার মত। নিশাত বললাে - দিলু, দেখ তাে বাবু কোথায়? দুধ খাবে বােধহয়।
| দিলু বাবুকে কোথাও দেখতে পেলাে না। এমন দুষ্ট হয়েছে। ওয়েটিং রুমে যাপটি মেরে বসে আছে হয়তাে। কাছে গেলেই টু দেবে। ধরতে গেলেই আবার ছুটে যাবে।
ওয়েটিং রুমের সামনে একগাদা জিনিসপত্রের সামনে বাবা দাঁড়িয়ে আছেন। বিরক্ত মুখ। তিনি দিলুকে দেখেই বললেন - একেকজন একেক দিকে চলে গেছে। ব্যাপারটা কি? তাের মা কোথায়?
জানি না তাে। তাের মাকে খুঁজে বের কর।
আমি পারব না বাবা, আমি বাবুকে খুঁজছি। ' | বাবুকে খুঁজলে তাের মাকে খোঁজা যাবে না – এরকম কথা কোথাও লেখা আছে?
সবাই আজ এরকম করে কথা বলছে কেন? কোথাও বেড়াতে গেলে সবার খুব হাসিখুশি থাকা উচিত। কিন্তু এখানে সবাই কেমন রেগে কথা বলছে। রাগটা তার উপরই। ট্রেনে মা তিনবার বললেন – দিলু পা নাচাচ্ছ কেন? পা নাচানো একটা অসভ্যতা। চুপ করে বস। পা নাচাননার মধ্যে আবার সভ্যতা-অসভ্যতা কি? যত আজগুবি কথা।
দিলু।
বল।
📜 SIMILAR VOLUMES
চক্ষে আমার তৃষ্ণা ওগো, তৃষ্ণা আমার বক্ষ জুড়ে। আমি বৃষ্টি বিহীন বৈশাখী দিন, সন্তাপে প্রাণ যায় যে পুড়ে ঝড় উঠছে তপ্ত হাওয়ায় মনকে সুদূর শূন্যে ধাওয়ায়- অবগুণ্ঠন যায় যে উড়ে যে ফুল কানন করত আলো কালো হয়ে সে শুকালো। ঝরনারে কে দিল বাধা-নিষ্ঠুর পাষাণে বাঁধা দুঃখের শিখরচূড়ে।
* মিস মনোয়ারা * কাকারু * পঙ্গু হামিদ * ফোর্টি নাইন * সগিরন বুয়া * নয়া রিকশা * আজ দুপুরে তোমার নিমন্ত্রণ * আনোভা * তিনি * আলাউদ্দিনের ফাঁসি * ভালোবাসা * টিকটিকি * ভূত
\* নিশীথে / রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর \* মাষ্টারমশায় / রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর \* একটি ভৌতিক কাহিনী / প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় \* মহেশের মহাযাত্রা/ পরশুরাম \* ডাইনী / তারাশঙ্কর বন্দ্যোদোপাধ্যায় \* ভুলের ছলনা / তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায় \* তারানাথ তান্ত্রিকের গল্প / বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
তারা হাঁটছে। পায়ের নিচে নদী। মাথার উপর অন্য এক রকম আকাশ। চারপাশে থৈ থৈ জোছনা। যে জোছনা মানুষকে পাল্টে দেয়। যে জোছনায় সত্যকে মিথ্যা, মিথ্যাকে সত্য বলে ভ্রম হয়। লেখকের কথা আমার ইচ্ছা ছিল খুব আনন্দময় একটি গল্প লিখব। কয়েকজন যুবক চাঁদের আলোয় পথে পথে হাঁটছে, হইচই করছে এই নিয়ে গল্প। লিখতে লিখতে অ