এই বই বস্তুত ঢাল-তরোয়ালহীন এক সৈনিকের সসম্মানে যুদ্ধে অবতীর্ণ হবার আখ্যান। বেহাল স্বাস্থ্যব্যবস্থার বহুচর্চিত ভাঙা নৌকোয় অবতীর্ণ হন এক তরুণ চিকিৎসক। কোনো এক প্রত্যন্ত গ্রামে। এ বই তাঁর হালহীন নৌকো চালিয়ে তীরে ভেড়ার নিজস্ব বর্ণনা।
Run Away (রান অ্যাওয়ে)
- Publisher
- Chirkut Prokashoni (চিরকুট প্রকাশনী)
- Year
- 2020
- Tongue
- Bengali
- Weight
- 177 KB
- Edition
- 1
- Category
- Fiction
No coin nor oath required. For personal study only.
✦ Synopsis
ভালোবাসার মানুষকে নিয়ে সুখের সংসার, তিন সন্তান, নিউ ইয়র্কে বিলসাবহুল অ্যাপার্টমেন্ট, পেশায় সুখ্যাতি...নিখুঁত ছিল সাইমন গ্রিনের জীবন।
কিন্তু তারপরই এক ঝটকায় এলোমেলো হয়ে গেল তার জগৎসংসার। প্রেমিকের খপ্পরে পড়ে নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ল তার কলেজপড়ুয়া মেয়ে পেইজ। বার বার চেষ্টা করেও ছাড়াতে পারেনি মেয়ের আসক্তি। অবশেষে বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে গেল পেইজ।
মেয়ের খোঁজে দিশেহারা সাইমন। ছয় মাস অবিশ্রান্ত খোঁজাখুঁজির পর অবশেষে সেন্ট্রাল পার্কে পেইজকে পেল সে—নেশায় ঢুলু-ঢুলু, গান গেয়ে ভিক্ষা করছে। কিন্তু বাবা তাকে বাড়ি ফিরিয়ে নেওয়ার জন্যে এগোতেই পালাল সে।
কিন্তু সাইমন নাছোড়বান্দা—মেয়েকে সে ফেরাবেই এই পঙ্কিল জগত থেকে। শুরু হলো এক অন্ধকার সুড়ঙ্গে, ড্রাগের বিপজ্জনক দুনিয়ায় তার বিরামহীন ছুটাছুটি। পরিবারের জীবন বিপন্ন করেও অজানা-অচেনা এ জগতে ঢুঁড়ে বেড়াতে লাগল সে। এ জগত শাসন করে গুন্ডারা, এখানে ড্রাগই টাকা, এবং খুনখারাবি এখানকার নিত্য-নৈমিত্তিক ঘটনা।
এরপরই সাইমনের দেখা হলো প্রাইভেট ইনভেস্টিগেটর ইলেনা রেমিরেজের সাথে। এক যুবকের নিখোঁজ-রহস্যের তদন্ত করছে ইলেনা। দুজনে মিলে এক কাল্ট আবিষ্কার করল তারা—ট্রুথ হেইভেন। একের পর এক বেরিয়ে আসতে লাগল অনেকগুলো অপ্রিয় সত্য।
সাইমন কি আর কখনো তার মেয়েকে জীবিত দেখতে পাবে? মুখোশ খুলে দিতে পারবে ভণ্ড কাল্ট-নেতার? খুঁজে বের করতে পারবে তার মেয়ে কেন নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ল, সে রহস্য?
📜 SIMILAR VOLUMES
বিশ্বের প্রথম সায়ান্স-ফিকশন সিনে ক্লাব এই কলকাতায় সত্যজিৎ রায়ের সভাপতিত্বে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার মূলে ছিল ভারতের প্রথম সায়ান্স-ফিকশন মাসিক পত্রিকা ‘আশ্চর্য!’ যার প্রথম প্রকাশ ১৯৬৩ সালে। ১৯৭৫-এ বেরয় ‘ফ্যানট্যাসটিক’। প্রথম পত্রিকার একাধিক নামাংকন করেছিলেন বিমল দাস। দ্বিতীয় পত্রিকার নামাংকন করেন সত্য
Short story collection by Taradas Bandyopadhyay
১৮৮৭ সালের ২৫ শে মে হাওড়ার চাঁদপাল ঘাট থেকে স্যার জন লরেন্স নামক এক প্রকাণ্ড জাহাজ মহাসমারোহে রওনা দিয়েছিল পুরীর উদ্দেশ্যে। সমুদ্রপথে বালেশ্বর হয়ে কটক। সেখান থেকে পদব্রজে পুরী। এইভাবেই তখন যাত্রা করতে হত নীলাচলধামে। কিন্তু বঙ্গোপসাগরে প্রবল ঘূর্ণিঝড় এবং সামর্থ্যের তুলনায় অতিরিক্ত যাত্রীগ্রহণ
১৮৮৭ সালের ২৫ শে মে হাওড়ার চাঁদপাল ঘাট থেকে স্যার জন লরেন্স নামক এক প্রকাণ্ড জাহাজ মহাসমারোহে রওনা দিয়েছিল পুরীর উদ্দেশ্যে। সমুদ্রপথে বালেশ্বর হয়ে কটক। সেখান থেকে পদব্রজে পুরী। এইভাবেই তখন যাত্রা করতে হত নীলাচলধামে। কিন্তু বঙ্গোপসাগরে প্রবল ঘূর্ণিঝড় এবং সামর্থ্যের তুলনায় অতিরিক্ত যাত্রীগ্রহণ